জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে গণভবনে নির্মিত স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬, তিনি জাদুঘরের চূড়ান্ত কাজের অগ্রগতি সশরীরে ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ।
গুমের শিকার পরিবারেরগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারীতে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা, শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসন এবং গুম-খুনের নৃশংস ইতিহাস সংরক্ষিত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে’ তিনি শিক্ষার্থীদের দল বেঁধে এটি দেখার আহ্বান জানান যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর দিশেহারা না হয়।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, ‘অল্প সময়ে এই জাদুঘরের কাজ এই পর্যায়ে এসেছে এটা একটা রেকর্ড। এটা সম্ভব হয়েছে অনেক ছেলেমেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে। আট মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে এখানে কাজ করেছেন অনেকে। তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।
