শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অনুমতি না নিয়ে অন্য পেশায় জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের পুরো সময় ও মনোযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে দিতে হবে। সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে কেউ যদি অন্য পেশায় সম্পৃক্ত হন, তবে তা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, জাতির দর্পণ হিসেবে আপনারা গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরবেন। এতে আমাদের ব্যবস্থা নিতে সহজ হবে।
কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি। দুই-চার মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতারা। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাছির, উপজেলা বিএনপি সভাপতি খাইরুল আবেদীন স্বপন, কচুয়া উপজেলা উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুস সালাম শান্ত, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুন নবী সুমন, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ প্রধানীয়াসহ দলীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: যুগান্তর।
