ঢাকা, ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) ২০২৬: তিতাস গ্যাস কর্তৃক গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার শনাক্তকরণ এবং উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ৩০ মার্চ (সোমবার) ২০২৬ তারিখে জনাব মোঃ আহসান হাবিব, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মুন্সীগঞ্জ -এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর জোবিঅ- মুন্সীগঞ্জ আওতাধীন দূর্গাবাড়ি, গোসাইবাগ, মুন্সীগঞ্জ এলাকার ৩টি স্পটে অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, আবাসিক সংযোগের আনুমানিক ১৩৪ টি ডাবল চুলার সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জি,আই পাইপ ১৫০ ফুট, রেগুলেটর ১১ টি জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে। এসময় জরিমানা বাবদ ১৬,০০০/- (ষোল হাজার) টাকা আদায় করা হয়েছে।
একই দিনে, জনাব মিল্টন রায়, সিনিয়র সহকারী সচিব ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ -এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর জোবিঅ- জিনজিরা আওতাধীন কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন এলাকার ২টি স্পটে অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, ২টি তার কারখানার (নামবিহীন) সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জি,আই পাইপ ১২ ফুট, বুস্টার ৩ টি জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে। এতে মাসিক ১৭,৭১,২৫৭/- টাকার গ্যাস সাশ্রয় হয়েছে। এছাড়াও খোলামোড়া এলাকায় ঈদের ছুটিকালীন সময়ে ৭১ টিভি চ্যানেলে অবৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রদানের বিষয়ে রিপোর্টের অনুসন্ধান করে আনুমানিক ৬-৭ ফিট খুড়ে লাল টেপ পেঁচানো এম এস পাইপ পাওয়া যায় (ক্যাপিংকৃত) যা বিচ্ছিন্ন করত: কিলিং /কাপিং করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ (রবিবার) ২০২৬ তারিখে জনাব সুহা তাবিল, সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রসাশকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ -এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগ- সোনারগাঁও এর আওতাধীন জোনাল বিক্রয় অফিস-সোনারগাঁও আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার নয়াপুর বাজার সংলগ্ন সাদীপুর ও নাজিমুদ্দিন কলেজ সংলগ্ন, আন্দিরপার, বন্দর এলাকার ২টি স্পটে অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, অবৈধ ২টি চুনা কারখানা এবং একই সাথে প্রায় দুই কি.মি. প্লাস্টিক পাইপের বিতরণ লাইনের ৩০০ আবাসিক চুলার সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ এম এস পাইপ ৭০ ফুট, ভাট্রি বার্ণার ২৬ টি ও প্লাস্টিক পাইপ ৩,০০০ ফুট জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে।
একই দিনে, জনাব মোঃ ফাহিম শাহরিয়ার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, কালিয়াকৈর,গাজীপুর -এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগ- চন্দ্রা এর আওতাধীন জোনাল বিক্রয় অফিস -চন্দ্রা আওতাধীন মৌচাক স্কাউট স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন (সাদমা ফ্যাশনওয়্যার এর দক্ষিণ পাশ) জামতলা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর এলাকায় অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, ১২ টি বাড়ির ১১৫ ডাবল এবং ১ সিঙ্গেল চুলার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে ও অনুমোদন অতিরিক্ত চুলায় গ্যাস ব্যাবহারের জন্য ১১টি গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জি আই পাইপ ৩০০ ফুট, এম এস পাইপ ২১ ফুট জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর আঞ্চলিক বিপণন বিভাগ- সাভার আওতাভুক্ত জোবিঅ-আশুলিয়া ও জোবিঅ-সাভার এলাকায় শিল্প গ্রাহকদের বকেয়া আদায়ে ০২ টি টিম প্রেরণ করা হয়। এতে, মেসার্স গ্রামীণ নীটওয়্যার লি: (গ্রাহক সংকেত নং-৩৩৮-০০০১৯১), মেসার্স সিএমসি কামাল টেক্সটাইল মিলস লি. (গ্রাহক সংকেত নং-৮৩৮০০০১৫৬), মেসার্স লোটাস কামাল নীটওয়্যার লি. (গ্রাহক সংকেত নং-৮৩৮০০০৪৪৯), মেসার্স এলকে ইউনিটেক্স কো. লি., (গ্রাহক সংকেত নং-৮৩৮০০০৩৬৩),
এইচ.আর টেক্সটাইল লিঃ (৩৩৮/৮৩৮০০৭৪) মঙ্গল বেকারি (২৩৮০০০৫৬৯) -এর গ্যাস সংযোগ বকেয়ার কারণে বিচ্ছিন্ন করাসহ
ন্যাশনাল বেভারেজ (৩৩৮/৮৩৮০০০২৭৮), স্নো হোয়াইট কটন লি. (৩৩৮/৮৩৮০০৬৭৪) ও রেদোয়ান প্যাকেজিং (৩৩৮০০৬৩৪) এর বকেয়ার কারণে আউটলেটে সিল স্হাপন করে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।
এছাড়াও, জনাব মিল্টন রায়, সিনিয়র সহকারী সচিব ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ -এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর মেট্রো ঢাকা বিক্রয় বিভাগ-১ আওতাধীন গিরিধারা, কদমতলী, ঢাকা এলাকার ৫টি স্পটে অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, রাকি চানাচুর (ভাই ভাই ফুড প্রোডাক্টস), এন থ্রী ওয়াশিং, বিসমিল্লাহ ফুড, মীনার স্পেশাল বেকারী ও শাহ শরীফ লন্ড্রি ওয়াশ -এর সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জি,আই পাইপ ৩৫০ ফুট, বুস্টার ৩ টি, এম এস পাইপ ৫ ফুট, হোস পাইপ ১০০ ফুট ও ওভেন রেগুলেটর ২টি জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে। এসময় ১০০,০০০/- (এক লক্ষ টাকা) অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
