তিতাস গ্যাস কর্তৃক গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার শনাক্তকরণ এবং উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২২ ডিসেম্বর (সোমবার) ২০২৫ তারিখে মোঃ তারিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ -এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর জোবিঅ- বন্দর আওতাধীন আনোয়ার সুপার মার্কেট, মদনপুর, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ এলাকার ৩টি স্পটে অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, মক্কা-মদিনা হোটেল, নিরিবিলি হোটেল ও বিসমিল্লাহ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জি,আই পাইপ ৪০ ফুট, এম এস পাইপ ৪৫ ফুট, রেগুলেটর ০৪ টি, হোস পাইপ -৮০ ফুট, ভাল্ব -০১ টি জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে। এ সময় হোটেল মালিকের কাছ থেকে মোট ৬৫,০০০/- (পয়সট্রি হাজার) টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
একই দিনে, মিল্টন রায়, সিনিয়র সহকারী সচিব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োজিত বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-এর নেতৃত্বে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর মেট্রো ঢাকা বিক্রয় বিভাগ-১ আওতাধীন শহীদনগর, মাতুয়াইল মেডিকেল, ফতুল্লা, আদর্শনগর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ, ফার্মের মোড়, কোনাপাড়া, মাতুয়াইল, ডেমরা, মেন্দিবাড়ি, কোনাপাড়া, ডেমরা এলাকার ৪টি স্পটে অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, সিফাত মোরব্বা ঘর, হারুন মোরব্বা ঘর ও মেসার্স জোবায়ের মোল্ডিং সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ জিআই পাইপ- ৬৫ ফুট, আবাসিক বার্নার- ২টি, এমএস পাইপ- ৫০ফুট, জিআই পাইপ- ৫০ ফুট, স্টার বার্নার ৪ টি, হোস পাইপ- ৫০ফুট, বার্নার ১ টি জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে। এ সময় সিফাত মোরব্বা ঘর ও হারুন মোরব্বা ঘর নামক প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকে মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এণ্ড ডিষ্ট্রিবিউশন পিএলসি -এর জোবিঅ-আশুলিয়া আওতাধীন বাইপাইল, পশ্চিম পাড়া, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা এলাকার অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ/সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে, বকেয়াজনিত ০৪ টি, অতিরিক্ত চুলা ব্যবহারজনিত ০৬ টি রাইজার ও বিল বইবিহীন: ০৭ টি সহ মোট ১৭টি সংযোগের মোট ২৮৪ টি ডাবল চুলার সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ রেগুলেটর ১৪টি জব্দ/অপসারণ করা হয়েছে। উক্ত অনুমোদন অতিরিক্ত চুলা এবং অবৈধ সংযোগের কারণে মাসিক ৩,০২,৪০০/- টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হতো।
