ঠাসা সূচির মধ্যেও কাল অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিতলে হয়তো এই প্রস্তুতির দরকার হতো না। প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ে সিরিজে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় ব্যবধানে হেরেছে। সিরিজ ১-১। আজকের তৃতীয় ওডিআই কার্যত ফাইনাল। যেটি জিততে মরিয়া বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান আগে ব্যাট করে তোলে ২৭৪ রান। পরে বৃষ্টির দরুন ম্যাচ ৩২ ওভারে নেমে আসে। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩ রান। শেষ পর্যন্ত ২৫.৩ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হারে টাইগাররা। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানও ১১৪ রানে অলআউট হয়।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ৪১ রান করা লিটন দাস ম্যাচ শেষে বলেন, ‘শুরুতেই উইকেট না পড়লে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। বৃষ্টির কারণে হঠাৎ রানরেট বেড়ে যাওয়ায় ম্যাচ কঠিন হয়ে যায়। পুরো ৫০ ওভার খেলা হলে ফল অন্যরকম হতে পারত। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য যথেষ্ট ভালো ছিল।’
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে পেস বোলাররা উইকেট থেকে বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন। তবে হেরেও নিজেদের পরিকল্পনায় বড় কোনো পরিবর্তন আনছে না বাংলাদেশ। আজও একই উইকেটে খেলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ একাদশে এক-দুটি পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। টপঅর্ডারে সাইফ হাসান দুই ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন। সৌম্য সরকার এখনো এই সিরিজে সুযোগ পাননি। তাকে একাদশে দেখা যেতে পারে। বোলিংয়েও আসতে পারে একটি পরিবর্তন। এই ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজ জিততে না পারলে ওয়ানডে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলে দশম স্থানেই থেকে যাবে বাংলাদেশ।
এতে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার পথ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
