চব্বিশের জুলাইয়ে রাজপথ যখন উত্তাল, তখন সেই প্রতিরোধের বাস্তব ইতিহাস উঠে আসে কলম ও ক্যামেরার ফ্রেমে। আন্দোলনের সেই দিনগুলোতে সাহসিকতা ও পেশাদার দায়িত্ববোধের স্বাক্ষর রাখায় ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ পেয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার (লিড মোজো) এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এমআরএ) সভাপতি ফখরুল ইসলাম।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মাঠে থেকে মোবাইল, ক্যামেরা ও লেখনীর মাধ্যমে আন্দোলনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করেন তিনি ও অন্যান্য সাংবাদিকরা। রাজপথের ঘটনাপ্রবাহকে তাৎক্ষণিক ও নির্ভীকভাবে তুলে ধরার এই ভূমিকার স্বীকৃতিতেই দেওয়া হয় এ সম্মাননা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফখরুল ইসলামের হাতে ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ তুলে দেওয়া হয়। আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি একই সঙ্গে ফেলানী হত্যা দিবসের স্মরণে পালিত হয়।
আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে এবং জাম (জেএএম) ও বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইডিইবি)-এর সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তি, শহীদ পরিবারের সদস্য ও সাংবাদিকসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের মধ্যে স্মারক ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।
এ সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাহসিকতা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১০২ জন সাংবাদিককে ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ বলেন, শহীদদের মর্যাদা বা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তা প্রতিহত করা হবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আলামিন আতিয়া ও ডাকসু সদস্য তাজিনুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ।
সূত্র: যুগান্তর।
