জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বেকার ভাতা নয়, বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে হালাল রুজির মাধ্যমে তারা জীবন-জীবিকা করতে পারেন। একই সঙ্গে মা-বোনদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
রোববার সকালে (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজসংলগ্ন সড়কে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব বলেন।
এ সময় ক্ষমতায় গেলে নারীদের চলাচলের জন্য ইভিনিং বাস সার্ভিস চালুসহ নিরাপদ চলাচল নির্বিঘ্ন করা হবে।
জনসভায় ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ৫ আসনের প্রার্থী মো. কামাল হোসেনকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী পরিচয় করিয়ে দিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক হাতে তুলে দেন জামায়াত আমির। তিনি সবাইকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান এবং জোটের পক্ষে যেখানে যে প্রার্থী আছেন, তাদেরও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই সেটা জনগণ বুঝতে পেরেছেন, তাই তারা আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গেলে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, গ্যাস সংকট নিরসন, খেলার মাঠ স্থাপন, মাদক ও চাঁদাবাজি নির্মূল এবং সাধারণ মানুষদের নির্বিঘ্নে চলাচলের ব্যবস্থার কথা বলেন।
তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধা শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে ছিলাম এবং থাকব।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী না মানে গোলামী। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে আসবে না। ‘হ্যাঁ’ মানে বাংলার জমিনে চাঁদাবাজদের বরদাশত করা হবে না।
জনসভায় সকাল থেকে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, কদমতলী ও শ্যামপুর থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডের জামায়াতের নেতাকর্মীরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন মিজানুর রহমান মালেক ও অ্যাডভোকেট একে আযাদ।
সূত্র: যুগান্তর।
