করাপশন টক
রবিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত জনগণের একতা বন্দুকের গুলির চেয়ে শক্তিশালী -বিভাগীয় কমিশনার

editor
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মোঃ রেজা-উন-নবী বলেছেন, জনগণের একতা বন্দুকের গুলির চেয়ে শক্তিশালী। যারা বন্দুকের গুলিকে শক্তিশালী মনে করেছে তারাই ঐক্যবদ্ধ জনতার শক্তির কাছে বারবার পরাজিত হয়েছে। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের আগমুহূর্তে ১৪ ডিসেম্বর বাঙালি জাতিকে সকল দিক দিয়ে মেধাশূন্য করে দিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় । এরই প্রেক্ষিতে ১৪ ডিসেম্বর এদেশ হারিয়েছিল তাঁর সূর্য সন্তানদের। তিনি বলেন, অন্যায়ের কোন রং নেই। প্রত্যেক কষ্ট, নিপীড়ন, অবিচার এবং বৈষম্যের রং এক। অদম্য এ জাতিকে কোনভাবে দমিয়ে রাখা যাবে না৷ যতবার এ জাতি বৈষম্য, শোষণ, অত্যাচার ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে ততবারই সে প্রতিবাদী কণ্ঠে ঘুরে দাড়িয়েছে।

সভায় তিনি আগামী নির্বাচনে মানবতাবাদী ও মানবপ্রেমী প্রার্থীকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্টে যাদের চোখের পানি ঝড়ে, মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য যারা লড়াই করে, যারা এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানচিত্রকে বুকে ধারণ করে সেধরনের মানুষকে বেছে নিতে হবে। সকলের অংশগ্রহণ ও ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সে নেতৃত্বই তুলে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা ১৯৭১ সালে এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হারিয়েছি। এ শূন্যতা অপূরণীয়। তবে আমরা স্বাধীনতার পরে সে মানের বুদ্ধিজীবী তৈরি করতে পারিনি৷ শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন, মাদকের কড়াল গ্রাস ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষার মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশে মেধাসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী তৈরি করতে হবে।

আলোচনা সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মু: মাসুদ রানা, পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জামাল পাশা বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। এসময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এদিন সকালে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নগরীর চৌহাট্টাস্থ শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর ইউনিটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।